সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্তের জবানবন্দি চলছে

ঢাকা (প্রথম খবর.কম) :বানবন্দি দিচ্ছেন সাবেক রেলমন্ত্রী ও বর্তমান দফতর বিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে প্রবেশ করেন সৌমেন। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে যান ১০টা ৫০ মিনিটে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয় বহির্ভুত টাকার উৎস জানতেই গত রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয় সেগুন বাগিচা থেকে তার কাছে একটি নোটিশ পাঠায় কমিশন। নোটিশে তাকে ২৬ এপ্রিল ১১টার মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই আজ তিনি দুদকে প্রবেশ করেন।

মূলত পাঁচ কোটি টাকার উৎস জানতেই তাকে কমিশনে জবানবন্দির জন্য ডেকেছে দুদক।

জানা গেছে, পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ‘আইসিএক্স’ (ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ) লাইসেন্স নিয়েছেন সুরঞ্জিত পুত্র সৌমেন।

বিপুল পরিমাণ এ অর্থের উৎস জানতেই তাকে দুদকের অনুসন্ধান কমিটি জবানবন্দির জন্য ডেকেছে।

পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে বিটিআরসি থেকে ‘আইসিএক্স’ (ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ) লাইসেন্স পান সুরঞ্জিত পুত্র  সৌমেন। এ অর্থের উৎস নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠে। এ প্রেক্ষিতে ১৬ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের বৈঠকে ঘটনা তদন্তে দুদক অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুদকের উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়া ও সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত একটি তদন্ত দল সেনগুপ্ত টেলিকমিউনিকেশন বিষয়ে অনুসন্ধান করছে।

উল্লেখ্য, সৌমেন সেনগুপ্তের এ বিষয়টি অনুসন্ধান প্রসঙ্গে ১৭ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ের কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘সংবাদ মাধ্যমে যতটুকু শুনেছি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত একজন  প্রবীণ রাজনৈতিক। তিনি বিচক্ষণ ও সম্মানিত ব্যক্তি। কিন্তু তিনি বিত্তবান নন। তাঁর ছেলে এতো টাকা কোথায় পেয়েছে তা কমিশন ক্ষতিয়ে দেখতে তদন্ত করবে।’

একই সঙ্গে সৌমেন সেনগুপ্তের সম্পদের হিসাব চাওয়া হবে বলে দুদক চেয়ারম্যান ওই দিন জানিয়েছেন।


প্রথম খবর.কম-২৬-০৪-২০১২

FacebookTwitterGoogle+LinkedInEmailDiggPinterestRedditStumbleUpon